চট্টগ্রাম -১২, মন্দিরে হামলার ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রাম -১২, মন্দিরে হামলার ঘটনায় মামলা

পটিয়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা : চট্টগ্রামের পটিয়ার কেলিশহর নারায়ণ মন্দিরে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগে আজ ৪ জানুয়ারি চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শাহাদাত হোসেন ফরিদ।

মামলায় মন্দিরের পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা কেলিশহর ইউনিয়নের দূর্গাপদ চক্রবর্ত্তীর পুত্র ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিজন চক্রবর্তী সহ ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা নং- সিআর ১১/২৪।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, দুলা মিয়ার পুত্র বোরহান উদ্দিন (৩৫), দূর্গাপদ চক্রবর্ত্তীর পুত্র রতন চক্রবর্ত্তী (৫৫), দুলা মিয়ার পুত্র মো. ইমরান (২৬), স্বর্গীয় নিরঞ্জন দের পুত্র প্রভাত দে (৪৮), কৃষ্ণ চক্রবর্ত্তীর পুত্র রাজিব চক্রবর্ত্তী (৪০), হরিপদ দাশের পুত্র সম্রাট দাশ (২২) ও চন্দন সিংহের পুত্র নয়ন সিংহ (২২)।
দীর্ঘ শুনানী শেষে বিচারক পটিয়া থানার ওসিকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরন সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুমান রাত ৮টার দিকে পটিয়া উপজেলার কেলিশহর ইউনিয়নের বিশ্বমঙ্গল গীতা সংঘ মন্দিরে স্বতন্ত্র
প্রার্থী সামশুল হক চৌধুরীর অনুসারী বিজন চক্রবর্ত্তীর নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা মন্দিরের ২০ হাজার টাকা ক্ষতি করে।

মামলার বাদী ও নৌকার প্রার্থী মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন ফরিদ অভিযোগ করেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি মন্দিরে হামলা করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে। মন্দিরে হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধমকি দেন।

বিষয়টি ইতোমধ্যে থানার ওসিকে অবহিত করা
হলেও মামলা হিসেবে রেকর্ড না করায় আদালতে মামলা করেছেন। পটিয়া থানার ওসি জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা ও ভাংচুর করার বিষয়ে থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছিল। পুলিশ হামলার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমান চেয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে বাদী পটিয়া আদালতে একটি ফৌজদারী আইনে মামলা করেছেন বলে তিনি শুনেছেন।

Related Articles